শিবাজী ঘোষ
আগের দুবার বড়া মাংওয়া, মুঙ্গেরজঙ্গ ভ্রমণ এর পর এই বছর আমরা ছয় বন্ধু মিলে আবার বেরিয়ে পড়লাম উত্তরবঙ্গে। বাঙালির দীপুদার শেষটিতে। অর্থাৎ দার্জিলিং এর উদ্দেশে। সঙ্গে আরো একটি অফ বিট জায়গা তাবাকোশি।
নতুন বছর শুরুর আগে প্রাণ ভরে নিশ্বাস নিয়ে এলাম। আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল ছয়ই এপ্রিল শিয়ালদহ থেকে দার্জিলিং মেল ধরে। পর দিন সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এ নেমে আগে থেকে ঠিক করে রাখা গাড়িতে মালপত্তর তুলে আমরা রোহিনীর পথ ধরে রওনা দিলাম। প্রথমেই পৌঁছলাম কার্সিয়াং এর কাছে মার্গারেটস ডেক রেস্টুরেন্ট এ। সেখানে কন্টিনেন্টাল ব্রেকফাস্ট সেরে দার্জিলিং পৌঁছতে বেলা গড়িয়ে গেল। বেশ ঠান্ডা ছিল, তাই গরম জলে স্নান সেরে বেরিয়ে পড়লাম ম্যাল এর উদ্দেশে। দার্জিলিং শহর এর প্রাণকেন্দ্র হল ম্যাল, যেখানে গেলেই মনটা ভালো হয়ে যায়। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে ছবি তুলে আমরা গেলাম সত্যজিৎ রায় এর ছবির জন্য বিখ্যাত হয়ে যাওয়া রেস্টুরেন্ট কেভেন্টার্স এ। অত্যন্ত উপাদেয় পর্ক-হ্যাম-বেকন-হট ডগ দিয়ে উদর পূর্তি হল। বেরিয়ে ভিড় দেখে মনে হল কলকাতার সব বাঙালি দার্জিলিং গেছে এবং চৈত্র সেল এর কেনাকাটা শুরু করেছে। আমরাও দরাদরি করে অল্প স্বল্প কিছু কিনলাম। পাহাড়ে বেশির ভাগ সময় হেঁটে যাওয়া আসা করতে হয়, তাই হেঁটে হোটেল এ চলে এলাম। অনেক রাত অব্দি আড্ডা মেরে ডিনার সেরে শুয়ে পড়লাম। আগে ভাগে মোবাইলে এলার্ম দিয়ে রাখলাম সকালে সূর্যোদয় এর সেই অপূর্ব দৃশ্য যাতে কোন ভাবেই মিস না করি।


পরদিন খুব সকালে উঠে বড়ো কাঁচের জানলায় চোখ রাখলাম, যদি তাঁর দেখা পাওয়া যায়, কিন্তু হায়, সম্পূর্ণ কাঞ্চনজঙ্ঘা মেঘের আড়ালে লুকিয়ে থাকলেন। ভাগ্য আমাদের সেদিন সঙ্গ দিলো না। হাতে আরো একটি সকাল আছে তাই আশা রাখলাম। তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে চা জলখাবার খেয়ে আমরা বেরিয়ে পড়লাম মহাকাল মন্দির দর্শন করতে। ম্যাল থেকে বেশ কিছুটা ওপরে এই প্রাচীন মন্দির। উঠতে বেশ বেগ পেতে হল। মহাকাল মন্দিরে শিব ঠাকুর এর পাথর এর মূর্তি দর্শন করে আমরা এগিয়ে গেলাম। পাহাড় আমাকে চিরকাল একটু বেশি টানে। আমাদের পরের গন্তব্য বিশিষ্ট পর্বত আরোহী তেনজিং নোরগে, স্যার এডমন্ড হিলারি, নোয়াং গম্বু, বাচেন্দ্রি পাল ইত্যাদি দিকপাল মানুষের ব্যবহৃত জিনিস এর মিউজিয়াম হিমালয়ান মাউন্টেনেয়ারিং ইনস্টিটিউট। নতুন ভবন এ অনেক সুন্দর ভাবে সংরক্ষিত করে রাখা আছে এদের স্মৃতি বিজড়িত জিনিস যা মাউন্ট এভারেস্ট জয় করতে এনারা ব্যবহার করেছিলেন। এই পাহাড়কে জয় করেছেন যেই সব মানুষ তাঁদের প্রতি আমার শতকোটি প্রণাম । আরো দেখলাম এই ইনস্টিটিউটকে উপহার হিসেবে দেওয়া হিটলার এর ব্যবহৃত একটি টেলিস্কোপ। দেখে সত্যি গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠলো। একই টিকিট এ ঢোকা যায় পদ্মজা নাইডু চিড়িয়াখানাতে, যেটি ভারতবর্ষের একমাত্র চিড়িয়াখানা যেখানে গেলে স্নো লেপার্ড ও রেড পান্ডা দেখা যায়। আমাদের সকলেরই দেখা বলে আর দেখতে যাই নি। এর পর আমরা নামতে লাগলাম চক বাজার এর দিকে। পথে পড়ল এক বান্ধবীর প্রথম চাকরির জায়গা – দার্জিলিং গভঃ কলেজ। খুবই নস্টালজিক ব্যাপার ছিল সেটি। আরো কিছুক্ষন হাঁটার পরে হ্যাপি ভ্যালি চা বাগান এ যাওয়ার পথ দেখলাম ও অনেকটা নিচে ফ্যাক্টরি ও চোখে পড়ল। আমার মনে পড়ে গেল খুব ছোট বেলায় দেখা এই চা বাগান এবং চা উৎপাদন এর পদ্ধতি। প্রায় ছয় কিলোমিটার হেঁটে পৌঁছলাম চক বাজার। আবারো কিছু কেনা কাটা হল, এদিকে এত হাঁটাহাঁটি করে ভীষণ ক্লান্তি এবং খিদেতে পেট চুঁই চুঁই। সামনেই একটি রেস্টুরেন্ট এ ধোসা ও চা খেলাম। পথে আগের দিন এর মতোই ভিড়। ম্যাল থেকে হাঁটা পথে আমাদের হোটেলে আসা সম্ভব তাই বাকি পথ টুকুও হেঁটে হোটেল এ ফিরলাম। কিন্তু রাতে সবাই সেই হাঁটার ফল বুঝতে পারলাম, সবারই কম বেশি পা ব্যথা করছিলো। ডিনার এ ডাল, আলু ভাজা ও মাছের ঝোল ভাত খেয়ে শুরু হলো আড্ডা। বেশি রাত অব্দি তা চললো না। ক্লান্তি তে ঘুম এসে গেল।
পরদিন সকালে জানলায় চোখ রেখে দেখি সেই অপূর্ব অপার্থিব দৃশ্য। নাহঃ আজ আর তিনি নিরাশ করেন নি, সম্পূর্ণ কাঞ্চনজঙ্ঘা স্পষ্ট আমাদের চোখের সামনে। সাদা বরফে ঢাকা পুরো রেঞ্জটাই দেখা যাচ্ছিলো। আমাদের হোটেলটা ছিল রাজভবন এর গায়ে হোটেল ডলফিন। আমরা কেউ টাইগার হিল এ গিয়ে সূর্যোদয় দেখার পক্ষপাতী ছিলাম না, তাই এই হোটেল এর দুখানা কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিউ রুম নেওয়া হয়েছিল। সামনেই কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিউ পয়েন্ট এ গিয়ে বেশ কিছু ছবি তোলা হল। আজ ই আমাদের মিরিক থেকে ছয় কিলোমিটার ওপরে একটি ছোট্ট গ্রাম তাবাকোশিতে যাওয়ার কথা। তৈরি হয়ে, যার যার লাগেজ গুছিয়ে জল খাবার খেয়ে গাড়িতে চেপে বসলাম। দার্জিলিং থেকে তাবাকোশি ৩৮ কিমি, সময় লাগবে আনুমানিক ২-২.৩০ ঘন্টা। ঘুম অব্দি এসে গাড়ি ডান দিকে ঘুরে কিছুটা দূরেই লেপচাজগৎ পৌঁছালো। কুয়াশায় মোড়া লেপচাজগৎ ভিউ পয়েন্ট থেকে দার্জিলিং শহর খুব অল্পই দেখা যাচ্ছিল। যাই হোক একটু অপেক্ষা করে আমরা আবার গাড়ি স্টার্ট দিলাম। তাবাকশি পৌঁছতে আমাদের বেলা দুটো বেজে গেল। তিন দিকে পাহাড় এবং এক দিকে গোপালধারা চা বাগানের শেষের অংশের মধ্যিখানে অবস্থিত এই তাবাকোশি বা তাম্বাকোশি গ্রাম। নামটা জাপানি শোনালেও এটি দার্জিলিং ডিস্ট্রিক্ট এর অন্তর্গত একটি ছোট্ট সুন্দর গ্রাম। এর অন্যতম আকর্ষণ একটি সরু পাহাড়ি নদী যার নাম রংভঙ্গ। সোনা যায় বর্ষা কালে এই নদীর জল তামার মত রং হয়। স্থানীয় ভাষায় তামাকে বলে তাম্বা আর নদী কে বলা হয় কোশি। তাই প্রাক্তন জি এন এল এফ নেতা সুভাষ ঘিসিং এই জায়গার নাম রাখেন তাম্বাকোসি। সেই থেকেই তাবাকোশি। নাম যাই হোক না কেন জায়গাটা অপূর্ব। আমাদের বুকিং করা ছিল সুনাখারী হোম স্টেতে। উত্তরবঙ্গের অন্যতম সেরা হোম স্টে এটি। গাড়ি থেকে নেমেই মুগ্ধ হয়ে গেলাম হোম স্টে দেখে। মালিক রমেশ রাই এবং তার স্ত্রী আমাদের সাদর অবর্থনা জানালেন। ভেতরে ঢুকে চোখ জুড়িয়ে গেল। এতো সুন্দর যে বর্ণনা করা মুশকিল। গেট দিয়ে ঢুকলে প্রথমেই চোখে পড়বে পুরোনো গাড়ির টায়ার দিয়ে তৈরি টেবিল। মধ্যিখানে খোলা কিচেন ও খাওয়ার ঘর। তার সামনেই পুরোনো অব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিস দিয়ে সাজানো একটি ঘরের দেয়াল। যেমন পুরোনো টিভি, রেকর্ড, টেলিফোন, ভিডিও প্লেয়ার, রেডিও, টেপ রেকর্ডার, ঘড়ি, একুয়ারিয়াম, হ্যাজাক ইত্যাদি। ঘরের অন্য দিকে আছে বিভিন্ন রকমের টুপি। আর একদিকে আছে বিভিন্ন ব্র্যান্ড এর ও রং এর খালি মদের বোতল। রমেশ জির নিজস্ব সৃজনশীলতা তুলনাহীন। পাশেই অফিস ঘরে নজরে এলো বেশ কিছু বিদেশী নোট এবং মুদ্রা। বাড়িতে রয়েছে মোট সাতটি ঘর, কোনোটি সম্পূর্ণ কাঠের তৈরি তাই উডেন হাউস, কোনোটি বাঁশ দিয়ে তৈরি তাই বাম্বু হাউস, ওই নদীর পাথর দিয়ে তৈরি তাই স্টোন হাউস, আর একটি ঘর বোতল দিয়ে তৈরি তাই বটল হাউস। এছাড়া আছে একটি ট্রি হাউস। আমাদের জন্য নির্দিষ্ট ছিল উডেন হাউস পাশাপাশি দুটো ঘর নিয়ে। তিন জন তিন জনে ভাগ হয়ে গেলাম। লাগেজ রেখে হাত মুখ ধুয়েই খেতে গেলাম। সত্যি অসাধারণ সেই অভিজ্ঞতা। কাঁসার থালা বাটি গ্লাস এ খাবার এলো। বাড়ীর মালকিন নিজে হাতে পরিবেশন করলেন এবং সামনে বসে থাকলেন। সেই খাবার এর স্বাদ একেবারে বাড়ীর মতো। চেটে পুটে খাওয়া হল। এর পরে আমরা পুরো বাড়ি ঘুরে দেখলাম। একদিকে রয়েছে দুই ভাগে ভাগ করা একটি পুকুর। তাতে রয়েছে অনেক রুই, কাতলা, তেলপিয়া, গোল্ড ফিস ইত্যাদি মাছ। ছোট্ট একটি ব্রিজ পেরিয়ে যেতে হয় স্টোন হাউস ও বাম্বু হাউস এর দিকে। বাড়ীর একদিকে একটু ওপরে টেন্ট এ থাকার ব্যবস্থা ও রয়েছে। রান্না ঘরে সমস্ত কাঁসার বাসন সুন্দর ভাবে সাজিয়ে রাখা। মাটির উনুন এ কাঠ জ্বালিয়ে রান্না হয় এখানে। বাড়ীর অন্য পাশে রয়েছে মালিক রমেশ রাই এর পরিবার নিয়ে থাকার দু তোলা বাড়ি। বেসমেন্ট এ রয়েছে ব্যাংকোয়েট হল। তিন তলায় আরো নতুন ঘর তৈরি হচ্ছে। কাঠের আসবাব পত্র সব নিজের হাতেই বানান বলে জানালেন রমেশ জি। নিখুঁত তার হাতের কাজ। আরো দেখলাম পুরোনো সাইকেল, মোটর সাইকেল সাজিয়ে রাখা আছে। এরপর আমরা গেলাম রংভঙ্গ নদীর ধারে একটি পার্ক এ।
পার্কটা একটি পুরোনো লোহার ব্রিজ পেরিয়ে জন প্রতি ১০টাকা এন্ট্রি ফী দিয়ে ঢুকতে হয়। নদীর পাড়ে প্রচুর গাছ গাছালি নিয়ে বেশ সুন্দর পার্কটি। আমরা একদম নদীর কাছে গিয়ে অনেকটা সময় কাটালাম। চার দিক নিস্তব্ধ, ছোট বড় পাহাড়, সব মিলিয়ে প্রকৃতির কোলে নদীর কুল কুল শব্দ খুবই রোমান্টিক ছিল। পাহাড়ের কোলে সন্ধ্যে নামার আগে আমরা ফিরে এলাম। স্ন্যাক্স ও চা খাওয়া হলো। ঘরে গিয়ে আমরা দুটো গ্রুপ বানিয়ে খুব মজা করে আন্তাক্ষরি খেললাম। রাতে চিকেন কষা ও রুটি দিয়ে ডিনার সেরে কিছুক্ষন হোম স্টে এর ভেতরে ঘোরাঘুরি করে শুয়ে পড়লাম। সকালে আমাদের দুই জন সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ায় কাছাকাছি আর কোথাও ঘুরবো না ঠিক করলাম। ঠিক হলো একটু নদীর পাড় থেকে ঘুরে জল খাবার খেয়ে তৈরি হয়ে আমরা NJP স্টেশনের দিকে রওনা দেবো। দূরত্ব ৬২ কিমি।
বাড়ীর পেছন দিকে রয়েছে রংভঙ্গ নদীতে নামার রাস্তা। গত কাল বিকেলে আর ওই রাস্তা দিয়ে যাইনি। সকালে গিয়ে বুঝলাম সঠিক ডিসিশন ছিল। পায়ে চলার পথ দিয়ে নদীর বুকে নেমে গেলাম। এখানে নদী বেশ সরু। বেশ বড় বড় পাথর এর ফাঁকা দিয়ে নদী বয়ে চলেছে তার আপন গতিতে। কিছুক্ষণ কাটিয়ে ফিরে এলাম। নিজেদের লাগেজ গুছিয়ে তৈরী হয়ে জল খাবার খেয়ে নিলাম। ছিল লুচি ও পাহাড়ি আলুরদম। আমাদের আট জনের গ্রুপ এর নাম Octave, সেটি লেখা টি শার্ট পড়ে নানান ভঙ্গিমায় বেশ কিছু ছবি তোলা হল। এর পরে সুনাখারী হোম স্টে এর তরফ থেকে খাদা (এক ধরণের উত্তরিও) পড়িয়ে আমাদের বিদায় জানানো হল, যা কিনা আমাদের কাছে ছিল অপ্রত্যাশিত । এই অপূর্ব সুন্দর আতিথেয়তা আমাদের মুগ্ধ করেছে।

এই অপূর্ব হোম স্টে তে আরো দুটো দিন কাটাতে পাড়লে খুব ভালো লাগতো, কিন্ত সকলেরই ছুটি শেষ, তাই বিদায় জানিয়ে রওনা দিলাম। পথে পড়ল অপূর্ব সুন্দর চামঙ্গ, থারবো এবং মিম চা বাগান, যেগুলো শ্রেষ্ঠ দার্জিলিং চা উৎপাদন এর জন্য বিখ্যাত। নিচে নেমে শুকনা ফরেস্ট এর ভেতর দিয়ে NJP স্টেশন পৌঁছতে সন্ধে ৬টা বেজে গেল। AC ওয়েটিং রুমে জন প্রতি ১০ টাকা প্রতি ঘন্টা দিয়ে অপেক্ষা করা যায়। আমরাও তাই করলাম। কিন্ত রেল কর্তৃপক্ষ কে অনুরোধ বাথরুম সাংঘাতিক অপরিষ্কার, পানীয় জল এর কোনো ব্যবস্থা নেই, এই দুটো দিকে একটু নজর দিতে। যথা সময়ে দার্জিলিং মেল এলো, আমরা ট্রেনে উঠে মাল পত্তর রেখে বসলাম। সময় মত কিনে আনা খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লাম। সকাল হতেই শিয়ালদহ স্টেশনে গাড়ি পৌঁছে গেল। একে অপর কে বিদায় জানিয়ে আমরা নিজ নিজ গৃহে ফিরলাম। এই বেড়ানোর স্মৃতি চিরকাল আমাদের সঙ্গে থাকবে। আবার একদিন বেরিয়ে পড়ব উত্তর বঙ্গের এই রকমই কোনো পাহাড়ি গ্রাম এ। আমাদের রাজ্যেই কত জায়গা এখনো দেখা বাকি। এই ভ্রমণ কাহিনী এখানেই শেষ করছি। আমাদের বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক। ভালো লাগলে Like বাটন অবশ্যই দেবেন।
কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য :
Mobile Numbers –
হোটেল ডলফিন, দার্জিলিং – 9830791064
বুকিং অফিস – 47, ভূপেন বোস এভিনিউ, কলকাতা – 700004.
কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিউ এর ঘর ভাড়া – 4200/- প্রতি দিন।
খাওয়া আলাদা।
Sunakhari Home Stay – 9593661864
Ramesh Rai – 9593793057
Prashant Rai – 9339516798
থাকা খাওয়া –
জন প্রতি 1600/- প্রতি দিন। এর মধ্যে সকালের চা, দুপুর ও রাতের খাওয়া এবং সন্ধের চা-স্ন্যাক্স পাবেন।
প্রতি ঘরে দুটি করে Double Bed খাট আছে।
বাথরুম যথেষ্ট ভালো, তবে গিসার নেই, গরম জল এর ব্যবস্থা সামনেই আছে, বালতি করে নিজেকেই নিয়ে নিতে হবে।
দূরত্ব –
নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দার্জিলিং – 73kms
তাবাকোশি 62kms
মিরিক থেকে তাবাকোশি 6kms দূর।
ছোট গাড়ি রিসার্ভ করলে উভয় ক্ষেত্রেই 3500/- নেবে।
গাড়ি ভাড়া season অনুসারে বাড়ে কমে। Share গাড়ি করে গেলে মিরিক অব্দি গিয়ে, সেখান থেকে অন্য গাড়ি নিতে হবে।